পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Thursday, April 11, 2019

নির্জন দ্বীপ-- ৪র্থ পর্ব


প্রকান্ড দরজা টিততে ময়লা লেগে ছিল। তবুও দরজাটির সুন্দর কারুকাজ নজরে পড়ছিল আলভির। সবাই মিলে ধাক্কা দিয়ে দরজা টি খুলল। আর ভেতরে প্রবেশ করল। 
কোথায় এল তারা, কোন রাজ্য যেখানে সবকিছু রয়েছে আগের কার রাজার সময়ের। আরো ভেতরে যেতেই একটা কুয়া নজরে পড়ল সোহেলের।

সে আলভিকে বলল ওটা কি? তার কথা শুনে আলভি তার দিকে ঘুরে তাকাই তার পর কুয়ার দিকে। কুয়ার কাছে যেতে লাগল সবাই। কুয়ার সারা গায়ে বিভিন্ন ধরনের তাবিজ বাধা দেখে একটু অবাক হল তারা। কুয়াতে দেখতেই দেখল একটাা সুন্দর যুবক বসে আছে তার ভেতর। তার হাতে পায়ে শিখল দিয়ে বাধা। তারই পাশে পড়ে আছে যুবকেরই প্রাণ হীন দেহ। সেটিরও হাত পা শিখল দিয়ে বাধা।

এমনটি দেখে আলভি পিছিয়ে এল। সে বুঝল তার এখন অনেক কিছু জানতে হবে। কিন্তু জয়ার কথা হট্যাৎ মনে পড়তেই সে থমকে দাড়াই। তার এমন কেন মনে হচ্ছে যে জয়া বিপদে পড়েছে। এদিকে সন্ধ্যাও হয়ে আসছে। আলভি সোহেল কে বলল তারা এখনই তাবুতে ফিরবে এবং কাল সকালে আবার আসবে। আলভিও জয়ার ভালবাসার কাছে দুর্বল ছিল। মুখে না বললেও সে তা নিজের মনে বেশ ভাল করেই বুঝতে পারত। ফেরার উদ্দ্যেশে তারা আসতে থাকে। আলভির মনে কষ্ট এই গুহা রাজেনকে তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। রাজেনের কথা মনে আসতেই চোখে জল এল আলভির। কলেজ জিবনে এই রাজেনইত তার জন্য কত কিছু করেছে।

একবার আলভির একটা দূর্ঘটনা হয়েছিল প্রচুর রক্তের দরকার পড়েছিল সেদিন তো এই রাজেনই তাকে বাচিয়েছিল। নিয়তির কি নিষ্ঠুর পরিহাস যার রক্ত আলভির শরিরে এখনও বয়ে চলেছে সেই রাজেন আর নেই। সব ভাবতে ভাবতে বাইরে এল তারা আবারো সেই বৃদ্ধের সাথে দেখা।বৃদ্ধ টি আগের মত বলেই চলেছে " কেউ বাচবে না, কেউ বাচবে না।

" এবার আলভির টনক নড়ল এটা তো সে ভাবেনি। কে এই বৃদ্ধ? আর এখানেই বা কেন? প্রশ্নের উত্তর খোজার দায়িত্ব নিজের মনকে দিয়ে সে দৌড় দিল তাবুর দিকে। গিয়ে দেখল সেখানে সব কিছু রয়েছে কিন্তু জয়ারা কোথায়। সে জয়ার নাম ধরে কয়েকবার জোরে ডাকল। কোন সাড়া এল না আলভি এবার সেখানে গেল যেখান থেকে তারা ট্রলার থেকে নেমেছিল। গিয়ে দেখল জয়া একা দাড়িয়ে আছে আর সবাই ট্রলারে চেপে চলে যাচ্ছে। প্রাণ ফিরে পেল এবার আলভি। কিন্তু জয়া সে কেন গেল না। জয়ার কাছে গেল আলভি আর বেশ ভালবাসার কন্ঠেই বলল" তুমি গেলে না কেন তাদের সাথে ?"

জয়া আর নিজেকে সামলে রাখতে পারল না। সে ঘুরেই আলভি কে জড়িয়ে ধরল। আলভি তার আচরনের কিছুই বুঝল না। জয়া বলল " তাকে এভাবে এখানে ফেলে রেখে সে যেতে পারল না " জয়া স্বাভাবিক হলে তারা সবাই আবার ফিরে চলল তাবুতে। 
এখন তারা আবার একটা নতুন দল বানাল। সোহেল তার সাথে চার জন। আর আলভিরা চার জন। জয়া হট্যাৎ খেয়াল করল আলভির সাথে তো রাজেন গিয়েছিল তবে রাজেন কোথায়

আলভি জয়ার কাছ থেকে রাজেনের কথা লুকিয়ে রাখল আর বলল যে " রাজেনকে সে অন্য কাজে রেখেছে তাই সে আসতে পারে নি " রাতটা সবাই এভাবে কাটাল যে একদল ঘুমাবে। আর এক দল পাহারা দেবে। সকালের আলোতে আলভির ঘুম ভাঙে। চোখ মেলেই দেখতে পেল জয়া সামনে কাঁদ কাঁদ চোখ নিয়ে দাড়িয়ে আছে।

0 Comments:

Post a Comment