পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Wednesday, April 17, 2019

অদৃশ্য ভালবাসা : পর্ব --২

অনেক রাত হয়েছে আমি এখন যাই।সে কি কথা শাহেদের সাথে দেখা না করেই চলে যাবেন। আপনি তো ওর সাথেই দেখা করার জন্যই এসেছিলেন।হ্যা আমি শাহেদের সাথেই দেখা করার জন্য এসেছিলাম তবে এত রাত হল বাড়ি ফিরতে হবে।


একটা অনুরোধ করি--আপনি আমার কথা শাহেদ কে বলবেন না আমি ওকে সারপ্রাইজ দেব। আমি কাল আবার আসব।
কাল তো আমরা চলে যাব। (তখন আপনি কি করে--) এটুকু বলেই থেমে গেলাম মেয়েটা পেছন ফিরে আপনারা কাল যেতে পারবেন না বলেই চলে গেল। নিলার যাওয়ার মিনিট খানেক পরই শাহেদের আগমন।আরে শাহেদ খাবার কি রান্না করে নিয়ে এলি।এত দেরি করলি কেন্।আর বলিস না আই আগে খেয়ে নিই তার পর কথা হবে।(খেতে খেতে)আমি বললাম কাল কি আমরা চলে যাব। হ্যা কাল বিকালে আমরা চলে যাব। আমি মনে মনে চিন্তা করলাম কাল বিকালে গেলে তো আর নিলার সাথে দেখা হবে ন।
খাওয়া শেষ করতেই শাহেদ ঘুমিয়ে পড়ল।পরের দিন সকাল বেলা দুই বন্ধু ঘুরতে বের হলাম গ্রামের নদীর পাড়ে নদীর পাড়ে বসে আছি এমন সময় দেখলাম মেয়েটি(নিলা) নদীর অপর পাশে বসে আছে। আমি শাহেদকে আস্তে করে ডেকে বললাম শাহেদ মেয়েটিকে দেখসিছ খুব সুন্দর না। কোথায় মেয়ে আমি তো কোন মেয়ে দেখছি না।আমি তাকিয়ে দেখলাম সেখানে আর নিলা নেই।কোথায় গেল মেয়েটা।শাহেদ-চোখের মাথা খেয়েছিস তুই এখানে কোন মেয়ে নেই।দুপুর নাগাদ শাহেদের এমন জ্বর এল যে কথা বলতেও যেন ওর কষ্ট হচ্ছে।সন্ধ্যায় জ্বর আরো বাড়তে লাগল। আরজু আমার জন্য বাজার থেকে ঔষধ আর খাবার নিয়ে এসো। আমি যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি এমন সময় আবার বলল আরজু সামনের বাড়িটার দিকে তাকাসনা।ঠিক আছে বলে আমি গ্রামের রাস্তা ধরে হাটতে শুরু করলাম।

পেছন থেকে আওয়াজ আসল- বলেছিলাম না আজ আর আপনাদের যাওয়া হবে না।পেছনে তাকিয়েই দেখলাম সেই কাঙ্খিত মানুষটি। আপনি কেমন আছেন?হুম ভাল আজ সারা দিন আমার কথা কতবার মনে করেছেন। উত্তর করলাম একবারো না।(রেগে আমার দিকে তাকিয়ে)কি একবারো না ঠিক আছে যান আপনি আমি চলে যাচ্ছি।তাহলে আপনার গল্প কে লিখবে।

হ্যা শুধু এই জন্য থেকে গেলাম। এভাবে সারা রাস্তা নিলার সাথে গল্প করে পার করে দিলাম।বাজারে পৌছতেই দেখলাম পাশে নিলা নেই।এবার এই প্রথম বার আমি ভয় পেয়ে গেলাম।আর একা ফেরার সাহস করলাম না। আমার কাজ সারার পর রিক্সা ভাড়া করে ফিরে গেলাম মাঝ রাত নিলার কথা আমাকে কিছুতেই ঘুমাতে দিচ্ছে না। ভাবলাম শাহেদ কে বলে দিই নিলার কথা। থাক কাল সকালে সুস্থ হলে বলব।শাহেদ গভীর ঘুমে বিভর।

বাইরে থেকে কিছু একটা আওয়াজ আসছে। বুঝতে চেষ্টা করলাম তা কিসের শব্দ। বুঝলাম এটা নুপুরের শব্দ। তার পরই নুপুরের শব্দ থেমে গেল আর শুনতে পেলাম তার মিষ্টি স্বর---কি হল সারা রাত কি দাড় করিয়ে রাখবে আমাকে পাগলের মতো হয়ে উঠে এলাম বিছানা থেকে।


তার কাছে জানতে চাইলাম আপনি কি একাই থাকেন বাড়িতে।হ্যা আমি বাড়িতে একাই থাকি। এত বড় বাড়িতে একা থাকেন কি করে? অভ্যাস হয়ে গেছে। 


বাদ দেন আমি আজ আপনাকে আমার গল্পটি বলব আর হইত আজই আমার আপনার কাছে আমার শেষ দিন। কেন?
কাল শাহেদ কে আমার কথা বলার পরই বুঝতে পারবেন।

0 Comments:

Post a Comment