পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Thursday, April 11, 2019

নির্জন দ্বীপ -- ৩য় পর্ব


গুহার মুখে পৌছে তৃতীয় বারের মত আবার শুনল সেই মেয়ে কন্ঠের স্বাগত বাণী। যেন কেউ গুহার ভেতর থেকে তাদের কে ডাকছে। 

আলভি ভাবল এবার তো গুহাতে সে প্রবেশ করবেই। কিন্তু সে চাইছিল না সবাই এই গুহায় প্রবেশ করুক। কারনন সে তো নিজেও জানে না যে এর ভেতরে তার জন্য কি বিপদ অপেক্ষা করছে তাই সে তার মেয়ে কর্মী দের কে ফিরে যেতে বলল। 
কিন্তু জয়া তাকে ছাড়তে নারাজ। জয়া আগে থেকেই আলভির প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু কিছুতেই মনের কথা বলতে পারছিল না। যা হোক তাকে অনেক বোঝঝানোর পর সে তার সাথে থাকা আর তিন জন পুরুষ কর্মী কে পাঠিয়ে দিল তাবুতে। আর বলা হল যদি তারা না ফেরে।

তবে জয়ারা যেন তাদের ফেলে চলে যাই। রাত হওয়ার অপেক্ষা না করে। আলভিরা এখন জন তারা গুহার ভেতর প্রবেশ করল। গুহার মুখে ডুকতেই দেখল একটা বৃদ্ধ লোক একটা কাটা মাথা নিয়য়ে বসে আছে। আলভির বুঝতে বাকি রইল না যে মাথথাটা কার। সেই স্বাগতম জানানো লোকটার। আলভিদের দেখেই বৃদ্ধ লোকটি বলতে লাগল "ফিরে যাও, ফিরে যাও, কেউ বাচবে না, কেউ বাচবে না" আলভি বুঝল যে সে মৃত্যুর গুহাতে প্রবেশ করছে। বৃদ্ধ লোকটাকে পেছনে রেখে তারা এগিয়ে চলল।

আলভির বন্ধু রাজেন বলল লোকটাকে সাথে নিলে কেমন হয়। আলভি বলল হয়ত তার প্রয়য়োজন পড়বে না।চলতে শুরু করল সবাই।গুহার একটু ভেতরে দেখল এক কোণায় সব মানুষের কঙ্কাল পড়ে আছে। ভেতরে একটটা পাত্রে লাল রঙের তরল দেখে আলভি সেটার দিকে এগিয়ে গেল।একটা বড় পাত্রে কেউ পান করার জন্য রক্ত রেখেছে। হট্যাৎ তাদের মধ্য থেকে সোহেল নামের এক কর্মীকে কিছুতে উপরের দিকে হাওয়াতে ভাসিয়ে তুলে নিয়ে গেল। এত দ্রুত হয়ে গেল যে আলভি শুধু চেয়ে দেখারই সময় পেল।সোহেলকে কোথায় নিয়ে গেল কেউই বুঝতে পারল না।

কিছুক্ষন পর সেই পাত্রে উপর থেকে একনাগাড়ে রক্ত পড়ে চলল।আলভির চোখে জল এল নিজের বন্ধুকে হারাল আর সে কিছুই করতে পারল না। কষ্ট নিয়ে আর কর্মীদের নিয়ে এগিয়ে চলল আলভি।একটা নুপুরের আওয়াজে থমকে দাড়াল আলভি এটা সে কিশুনল।নিজের কান কেউ যেন বিশ্বাস হচ্ছে না তার। আর একটু ভেতরে যেতে নজরে পড়ল একটা বিশাল দরজা।কি আছে এই দরজার ওপাশে জানতে চাই আলভি।

0 Comments:

Post a Comment