পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Friday, May 10, 2019

কানাডা (জেনে নিই অজানা কিছু তথ্য)


কানাডা হচ্ছে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং শীতলতম দেশ। ।কানাডা" নামটি সম্ভবত এসেছে সেন্ট লরেন্স ইরোকোয়াইয়ান শব্দ "কানাটা" থেকে, যার অর্থ "জেলেদের ক্ষুদ্র গ্রাম" উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে ছয়টি সময় অঞ্চল বিদ্যমান। ।১৫৪৫ সাল নাগাদ, ইউরোপের বই এবং মানচিত্রে এই অঞ্চলকে "কানাডা" হিসেবে নির্দেশিত করা শুরু হয়।কানাডা উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ। 


এটার দশটি প্রদেশ তিনটি অঞ্চল আটলান্টিক থেকে প্যাসিফিক এবং উত্তরে আর্কটিক সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত, যা এটিকে মোট আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তর দেশে পরিণত করেছে।


আয়তনের বিচারে কানাডা বিশ্বের ২য় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের প্রায় ৪১% নিয়ে গঠিত। উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে ছয়টি সময় অঞ্চল বিদ্যমান।
পূর্বে আটলান্টিক পশ্চিমে প্যাসিফিক এই দুটি মহাসাগর থেকে শুরু করে পশ্চিমের বিস্তির্ণ পাহাড়ী এলাকাসহ আরো বহু কিছুই আছে দেশটিতে দেখার। আছে নদী, আছে সুবিশাল বন। অন্টারিওর উত্তরে আছে হাডসন উপসাগর। চার ঋতুতে কানাডার রূপ বদলায় চার রকম। তীব্র শীত থেকে তীব্র গরম সবই অনুভব করা যায় এখানে।

ফ্রান্স দীর্ঘ সাত বছরের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলস্বরূপ ১৭৬৩ সালে উত্তর আমেরিকায় তাদের সব উপনিবাস ইংরেজদের কাছে ছেড়ে দেয়। ১৮৬৭ সালে, মৈত্রিতার মধ্য দিয়ে চারটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ নিয়ে দেশ হিসেবে কানাডা গঠন করা হয়।


কানাডা অ্যাক্ট ১৯৮২ অনুসারে, "কানাডা" একমাত্র আইনগত এবং দ্বিভাষিক নাম। ১৯৮২ সালে সরকারী ছুটি 'ডোমিনিয়ান ডে' কে পরিবর্তন করে 'কানাডা ডে' করা হয়।

কিছু অজানা তথ্য:
১.  এই দেশে বছরে মাস বরফাচ্ছন্ন থাকে।

                ২. ১৮৪১ সাল পর্যন্ত, এটি যথাক্রমে "উচ্চ কানাডা" এবং "নিম্ন কানাডা" নামক দুটি ইংরেজ উপনিবেশে বিভক্ত থাকে।
৩. কানাডা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলির একটি।
৪. প্রায় তিন চতুর্থাংশ কানাডাবাসী কোন না কোন সেবা শিল্পের সাথে যুক্ত আছেন। কাঠ খনিজ তেল আহরণ শিল্প কানাডার প্রধানতম দুইটি ভারী শিল্প।

৫. কানাডার অধিকাংশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত হয়। কানাডাতে একটি মুক্ত বাজার অর্থনীতি বিদ্যমান।

৬. কানাডার মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০০৬ সালে ৩৫,২০০ মার্কিন ডলার ছিল।
৭. কানাডার নাগরিকেরা বন্ধুবৎসল। দেশটিতে রয়েছে নিরাপত্তার গ্যারান্টি। সুতরাং নির্ভয়ে বেড়াতে যেতে পারেন দেশটির যে কোন প্রান্তে।

৯. কানাডায় কোথাও বেড়াতে যাওয়ার কথা মনে হলে প্রথমেই আসে নায়েগ্রা ফসল এর কথা। কানাডায় এবং পৃথিবীতেও সবচেয়ে বিখ্যাত কয়েকটি প্রাকৃতিক আকর্ষনীয় স্থানের মধ্যে এই নায়েগ্রা ফসল অন্যতম।


            ১০. নায়েগ্রায় আরো আছে মেরিনল্যান্ড। এখানে পর্যটকদের জন্য রয়েছে নানারকম চিত্তাকর্ষক মজাদার খেলা প্রদর্শণীর আয়োজন। ডলফিনের মনোমুগ্ধকর খেলা, বিভিন্ন রাইডিং উঠার সুযোগ



১১. পুষ্পপ্রিয় ক্যানাডিয়ানরা প্রতি বছর মে মাসে রাজধানী ওটোয়ায় ডাউজ লেকের পাড়ে টিউলিপ উৎসবের মনোরম আয়োজন করে। লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি, বেগুনি, কালো, কমলা কোনো রঙ- যেন বাদ নেই।

১২. কানাডার  জাতীয় খাবারেও রয়েছে বৈচিত্র, জাতীয় খাবার হচ্ছে একটি খাবার যা কোন দেশের সংগে সামগ্রিকভাবে যুক্ত। এমনকি খাবারটি সেদেশের ঐতিহ্যের অংশ।


                                              এই ছিল কানাডা নিয়ে খুবই পরিচিত কিছু তথ্য(তথ্যসূত্র:ইন্টারনেট)

0 Comments:

Post a Comment