পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Wednesday, May 15, 2019

ইরাক( জেনে নিই অজানা কিছু তথ্য )


ইরাকের সেনাবাহিনীকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়েসফলবাহিনীর তকমা দিয়েছে জাতিসংঘ। ২০১৬ সালের তুলনায় তেলের দাম এখন বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ, উৎপাদন বেড়ে রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছেছে। ইরাক বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার জন্য সারা বিশ্বের বুকে গৌরবে মহীয়ান। টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীদ্বয়কে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০০ বছর আগে গড়ে ওঠে এ সভ্যতা।


ইরান সর্ম্পকে সকল তথ্য একত্রিত করা আসলেই কঠিন কাজ। তবুও যতটা পেরেছি এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
                       
জেনে নিই ইরাকের কিছু অজানা তথ্য:

১.দেশটিতে আধুনিকতার ছোঁয়া ছিল লক্ষণীয়।

২. পশ্চিমের দেশগুলোর মতোই বিংশ শতকের আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছিল ইরাকের বাগদাদেও। রড সিমেন্টে নির্মিত দালান, চকচকে আধুনিক গাড়ি এবং প্রশস্ত সড়ক তারই প্রমাণ বহন করে।

৩. ধংস্বস্তুপে পরিণত হওয়ার আগে বাগদাদে অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক আল খাদিমিয়া মসজিদ।

৪. বাগদাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশটির ছিল প্রশিক্ষিত সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনী।

৫. ১৯৫০ সালের দিকে বাগদাদ ছিল সম্পূর্ণ শান্ত সুন্দর একটি নগরী।

৬. বিখ্যাত সব চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়েছে এই দেশে।

৭. সেসময় ঐতিহাসিক টাইগ্রিস নদীতে চলতো পালতোলা নৌকা।

৮. ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরকে তখন অনেক পর্যটক ইতালির ভেনিসের সঙ্গে তুলনা করতেন।

৯. আরবি ইরাকের সরকারী ভাষা। ইরাকের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি জনগণের মাতৃভাষা আরবি।

১০. সেমিটীয় আরবি ভাষার বাইরে ইরাকে বিভিন্ন ইরানীয় ভাষা প্রচলিত। এদের মধ্যে কুর্দি ভাষা সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ইরাকের জনগণের প্রায় ২০% কুর্দি ভাষায় কথা বলেন।

১১. যুক্তরাষ্ট্র ইরান পরস্পরের শত্রু হলেও দুই দেশই ইরাককে সামরিক রাজনৈতিক সহায়তা দিচ্ছে। বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ সংস্থার মতে, ইরাকের অধিবাসীরা মুক্তভাবে নিজেদের মতামত জানাতে পারছেন। সংবাদমাধ্যম নাগরিক সমাজও আগের চেয়ে সক্রিয়।

ইরাক মূলত মরুময় দেশ, কিন্তু দজলা ফোরাতের মধ্যবর্তী অববাহিকার ভূমি উর্বর। নদীগুলি প্রতিবছর প্রায় কোটি ঘনমিটার পলি বদ্বীপে বয়ে নিয়ে আসে। দেশটির উত্তরাঞ্চল পর্বতময়। সর্বোচ্চ পর্বতের নাম চিকাহ দার, যার উচ্চতা ,৬১১ মিটার। পারস্য উপসাগরে ইরাকের ক্ষুদ্র একটি তটরেখা আছে। সমুদ্র উপকূলের কাছের অঞ্চলগুলি জলাভূমি ছিল, তবে ১৯৯০-এর দশকে এগুলির পানি নিষ্কাশন করা হয়।

ইরাকের জলবায়ু মূলত ঊষর। শীতকাল শুষ্ক ঠাণ্ডা; গ্রীষ্মকাল শুষ্ক, গরম, মেঘহীন। উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে শীতকালে ভারী বরফ পড়ে এবং এতে মাঝে মাঝে বন্যার সৃষ্টি হয়।

0 Comments:

Post a Comment