পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Thursday, May 2, 2019

রাশিয়া(জেনে নিই কিছু অজানা তথ্য)


আয়তনে রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দেশ। রাশিয়ার মত এত বেশি খনিজ সম্পদ বিশ্বের অন্য কোন দেশের নেই। ।রাশিয়া নামটি রুশ নামক মধ্যযুগীয় একটি রাষ্ট্র থেকে এসেছে যেখানকার অধিকাংশ জনগণই ছিল ইস্ট স্লাভ গোত্রের অন্তর্গত। 
২০০৩ সালে দেশটির জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৪৫ লক্ষের কিছু বেশি। রাশিয়ার রাজধানীর নাম  মস্কো


 দেশের বেশিরভাগ জনগণ রুশ ভাষায় কথা বলে। আরও প্রায় ৮০টিরও বেশি ভাষা প্রচলিত। রুশ নামটি রুশ নামের একটি গোত্র থেকে এসেছে যারা ছিল মূলত ভারাঞ্জিয়ানদের একটি দলএরাই প্রথম রুশ নামে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। দেশটির বর্তমান নাম রশিয়া এসেছে একটি  গ্রিক শব্দ Ρωσσία Rossía থেকে। রাশিয়ার অধিবাসীদের রুশ বলা হয়।


পূর্বে রাশিয়ায় রাজতন্ত্র প্রচলিত ছিল। খ্রিস্টধর্ম রাশিয়ার প্রধান ধর্ম। রাশিয়া দেশটি হাড়কাঁপানি ঠান্ডা বলে এখানে থাকাটা বরং খুবই কষ্টকর এবং প্রতিকূল। রাশিয়ার অর্থনীতি বিশ্বে দশম বৃহত্তম। রাশিয়ার অর্থনীতির বিশাল অংশই প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল।


২০০০ সালে রাশিয়ার জনগণের মাসিক গড়পড়তা আয় ছিল ৮০ মার্কিন ডলার, যেটা ২০১০ সালে বেড়ে দাড়ায় ২১,১৯২ রুবল (৭৫০ মার্কিন ডলারে)

                         
রাশিয়া একটি পশ্চাদপদ দেশ হয়েও অতি অল্প সময়ের মধ্যেই সম্রাজ্যবাদের প্রভাব মুক্ত হয়ে পৃথিবীর একটি প্রথম সারির শিল্পায়িত অর্থনেতিক সামরিক শক্তিতে পরিনত হয়। আর এটা সম্ভব হয় শুধু মাত্র একটি পরিকল্পিত অর্থনীতি গ্রহন করার কারণেই রাশিয়ার শ্রমিকরা ছিল ভূমিদাস। তারা ছিল অত্যন্ত নিপীড়িত দুর্দশাগ্রস্ত।
রাশিয়ান ফেডারেশন ১৪৫ টি জাতিগোষ্টির সমন্বয়ে গঠিত। রাশিয়া পৃথিবীর দ্বিতীয় শক্তিশালী সেনাবাহিনী। বৃহত্তম অস্ত্রবিক্রেতা। ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুসলিমের বসবাস এই রাশিয়াতে। রুশ মুসলিমদের ইতিহাস রাশিয়াতে প্রায় ,১০০ বছরের! রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতেই কমপক্ষে ২৫-৩৫ লক্ষের মত মুসলিমের বসবাস!

১৯৯১ সালে সোভিয়েত রাশিয়াতে ছিল মোটে ৩০০ টি মসজিদ আর এখন ,০০০এরও বেশি মসজিদ আছে আরো নিত্য নতুন মসজিদ নির্মান হচ্ছে। ১৯৯১ সালে রাশিয়া থেকে হজ্জ যাত্রীর সংখ্যা ছিল মোটে ৪০! আর এবছর ১৮,০০০-এরও বেশি।

ত্রয়োদশ শতাব্দীর পর মস্কো সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং অষ্টাদশ শতাব্দীতে রাশিয়ার জারতন্ত্র বিকাশ লাভ করে রুশ সাম্রাজ্যে পরিণত হয়, যা পূর্ব পোল্যান্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সে সময় প্রায়ই কৃষক বিদ্রোহ লেগে থাকতো এবং সবগুলো বিদ্রোহ কঠোর হস্তে দমন করা হয়। রুশ সের্ফতন্ত্র ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে বিলুপ্ত হয়, কিন্তু কৃষকেরা অল্প কর পরিশোধ করত এবং বিল্পবী চাপ প্রদান করত।


জেনে নিই কিছু অজানা তথ্য:
১। রাশিয়ানরা বছরে দুইবার নববর্ষ পালন করে। এর একটি নতুন অন্যটি পুরাতন।

2। একবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলে কোনো জিনিস নিতে ভুলে গেলেও তা ফেরত নেওয়ার জন্য রাশিয়ানরা বাড়িতে ঢুকে না। তার বদলে অন্য কাউকে তা নিয়ে আসতে বলে। অন্যথায় এটি দুর্ভাগ্য বয়ে আনতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস।

৩।রাশিয়ান কোনো পুরুষ কোনো নারীকে পছন্দ করলে জোড় সংখ্যক ফুল উপহার দেয় না। কেননা, জোড় সংখ্যক ফুল উপহার দেওয়াকে রাশিয়ান মেয়েরা দুর্ভাগ্যের প্রতীক মনে করে। এটি রাশিয়ান সমাজে খুবই প্রচলিত একটি ঘটনা।

৪। রাশিয়ানরা গড়ে প্রতি সপ্তাহে প্রায় . শটস মদপান

৫। রাশিয়ায় প্রচুর খ্রিস্টান থাকলেও ক্রিসমাসের তুলনায় নববর্ষ বড় করে পালিত হয়।

৬। অ্যালকোহল বাদ দেবার ভয়ে রাশিয়ানরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে।

৭। ট্রাফিক জ্যাম এড়ানোর জন্য মস্কোর কিছু ধনী অ্যাম্বুল্যান্স চালান।

৮। স্টাচু অব লিবার্টির মেটাল ফ্রেমটি নির্মিত হয় রাশিয়ার ইকেটেরিনবার্গে।


৯। রাশিয়ানরা যেকোনো ভ্রমণের আগে কয়েক সেকেন্ড নিরবতা পালন করে। অতীতে সময়ে প্রার্থনা করা হতো।

10। রাশিয়ার আয়তন প্লুটো গ্রহের চাইতেও বেশি।



রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে যে কোনো দেশের বিদেশি নাগরিক অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। রাশীয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। ২০০২ সালে রাশিয়া জঙ্গি বিরোধী একটি আইন পাশ করে। এই আইনের ভিত্তিতে টমস্কের কয়েকজন অধ্যাপক গীতা নিষিদ্ধ করার আবেদন জানায়। গীতার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ ছিলো এটি নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সমাজে ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়ায়। এটি মানুষের মাঝে লিঙ্গে, জাতিতে, ভাষায়, জাতীয়তায় বিভেদ সৃষ্টিতে উৎসাহিত করে।



0 Comments:

Post a Comment