পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Saturday, May 4, 2019

ইতালি (মজার কিছু তথ্য)


ইতালি পশ্চিম ইউরোপের একটি একীভুত প্রজাতান্ত্রিক সংসদীয় রাষ্ট্র। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত একটি দেশ। ইউরো অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত বিধায় এর মুদ্রা ইউরো। দেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু আছে। ইতালীর সীমানাক্ষেত্রটি প্রায় ,০১,৩৩৮ বর্গ কিলোমিটার (,১৬,৩৪৬ বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ঋতুময় ইতালীয় জলবায়ু নাতিশীতোঞ্চ। সংবলিত ইতালি জনসংখ্যার দিকে ইউরোপে পঞ্চম বিশ্বে ২৩তম জনবহুল দেশ ও ২৩তম উন্নত দেশ।

অনেকগুলো বর্ণনা থেকে অন্যতম ব্যাখ্যা হলো, ইতালিয়া শব্দটি ল্যাটিনঃ ইতালিয়া থেকে এসেছে, যা গ্রিক শব্দ ওসকান  যার অর্থ দাঁড়ায়ছোট গবাদিপশুদের চারণভূমি “ থেকে ধার করা হয়েছে।. ষাঁড় ছিলো একটি দক্ষিণ ইতালীয় উপজাতির প্রতীক এবং স্বাধীন ইতালির সামনিট যুদ্ধের সময় রোমান উদ্ধত নেকড়েকে রক্তাক্ত করে বলে প্রায়ই শোনা যায়। এর পরই ধীরে ধীরে বুৎপত্তির ফলে আজকের ইতালি।


ইতালির রাজধানী রোম (ইতালীয় শব্দ রোমা) শহর।মূলত রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থল হওয়ার কারনে এটিকে রাজধানী করা হয়। বর্তমান ইতালি একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।] ইতালি হচ্ছে ইউরোপিয়া ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ইউরোজোনেরও একটি অংশ।


আধুনিক সময়ে শুরুর দিকে ইতালির ইতিহাস ছিল বিদেশী শাসনঃ ফলশ্রুতিতে ইতালীয় যুদ্ধ সংগঠিত হয় যা  ১৯৪৯ থেকে ১৫৫৯ সাল   পর্যন্ত  হয়েছিল।  ইতালি অপেক্ষাকৃত শান্তি দেখেছিল প্রথম স্পেনের হাবসবুর্গ এবং তারপর অস্ট্রিয়ার হাবসবুর্গ।

১৭শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে প্লেগের কারণে লক্ষ ৭৩ হাজার লোক শিকার হয় বলে দাবি করা হয়েছিল যা সমগ্র ইতালির লোকসংখ্যার ১৪% মিলানের প্লেগ-এর দূরাবস্থা দেখা দেয় ১৬২৯ থেকে ১৬৩১ সালে। লোম্বার্দি ভেনিস বিশেষত মৃত্যুহার ব্যাপক হয়। ১৬৫৬ সালে লক্ষের মতো নেপলিস্অধিবাসী প্লেগে মারা যায়।

ইতালীয় ভাষা ইতালিতে প্রচলিত প্রধান সরকারি ভাষা। কিন্তু ইতালির প্রায় অর্ধেক সংখ্যক লোক আদর্শ ইতালীয় ভাষাতে কথা বলে না। এরা বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষা ব্যাবহার করে থাকত।আঞ্চলিক ভাষাগুলি অনেক ক্ষেত্রে পরস্পর বোধগম্য না- হতে পারে। ইতালির ত্রেন্তিনো-আলতো আদিগে অঞ্চলে জার্মান একটি প্রাদেশিক পর্যায়ের সরকারি ভাষা, অন্যদিকে আওস্তা উপত্যকা এলাকাতে ফরাসি ভাষাও একই মর্যাদাপ্রাপ্ত। এগুলির বাইরেও ইতালিতে আরও প্রায় ১৫টির মত ভাষা প্রচলিত। আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডে ইতালীয়, ফরাসি ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়।

ইতালির অধিকাংশ ব্যক্তি খ্রিস্টান এবং রোমান ক্যাথলিক মতে বিশ্বাসী। ইতালির রোমের ভ্যাটিকান সিটিতে খ্রিস্টধর্মের রোমান ক্যাথলিক অংশের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ বাস করেন।

রোম ইতালি লাসিও অঞ্চলের রাজধানী।

এটি দেশের সর্ববৃহৎ সবচেয়ে জনবহুল কমুনে এবং শহুরে জনসংখ্যা দ্বারা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চতুর্থ সবচেয়ে জনবহুল শহর। রোম মেট্রোপলিটন শহরের জনসংখ্যা . মিলিয়ন


ইতালিতে পাস্তা অনেকভাবে খাওয়ার চল আছে। ইতালীয়দের অন্যতম প্রধান খাবারও পাস্তা। বিভিন্নভাবে লোকজনের ধারণা হয়ে গেছে পাস্তা ইতালীয় খাবার। তবে ঝামেলা আগে থেকেও ছিল আর বেশি গোল বাধল ২০০৫ সালে। চীনের লাজিয়া নামের এক প্রত্নস্থলে গবেষকরা চার হাজার বছর পুরনো একটি নুডলসের পাত্র খুঁজে পেলেন। এত আগের কোনো পাস্তা-রেকর্ড দুনিয়ার কোথাও মেলেনি।

ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল ১২ মে ১৮২০ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহন করেন আর ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট যুক্তরাজ্যে মারা যান। আধুনিক নার্সি সেবার অগ্রদূত এই নারীর উপাধি ছিল লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প।তার নাম ক্রিমিয়া যুদ্ধের সাথে জড়িত। ১২ মে ্আন্তর্জাতিক সেবিকা দিবস পালন করা হয়।
ইতালির পম্পেই নগরীর অন্যতম একটি নগরী ছিল। ভাবতে পারেন একটি নগরীর ধ্বংস হয়েছিল মুহূর্তের মধ্যে! চোখের পলক ফালারও সুযোগ পায়নি একটি মানুষ। জীবন্ত মোমিতে পরিণত হয় অনাচার আর পাপাচারের প্রতীক মানুষগুলো। ২০০০ বছর আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল ইতালীর পম্পেই নগরীতে। সেখানে ২০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল।

নগরিটি ছিল সুন্দর-আনন্দপূর্ণ পরিবেশের স্থান। অভাব অনটন বলতে কোন কিছু ছিলনা পম্পেইবাসীর।রোমের সব সম্পদশালী মানুষের অবসর কাটানোর শহর ছিল এই পম্পেই। কিন্তু প্রকৃতির এত সম্পদ পাওয়ার পরও ধীরে ধীরে প্রকৃতির নিদর্শনকে অস্বীকার করে যেনা, অবিচার, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার মতো পাপাচারে লিপ্ত হতে থাকে পম্পেইবাসী।

 দিনকে দিন খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে বিচ্যুত হতে থাকে তারা। সকল ধর্মযাজক নগরী ছেড়ে চলে যায়। সেখানকার অধিবাসীরা পাওয়ার আনন্দে হয়ে উঠলো লোভী, অন্যায় কর্মে হয়ে পড়লো নিমজ্জিত। অশ্লীলতা বেহায়াপনায় আকৃষ্ট হয়ে গেল।



খৃষ্টাব্দ ৭৯ সালের ২৪শে আগষ্ট। দুপুরবেলা ইতালী পম্পেই শহরের অধিবাসীরা কেউ কেউ বিশ্রামে ব্যাস্ত ছিল অথবা কেউ কেউ আনন্দ উদ্দীপনায় নিজেদের মত্ত রেখেছিল। ঠিক সেই সময় হঠাৎ এক বিরাট অগ্নুৎপাত ঘটে। পম্পেই শহরসহ শহরের ২০ হাজার অধিবাসী দিনে দুপুরে মাত্র অল্প কয়েক ঘন্টার মধ্যে প্রায় ২০ ফুট আগ্নিয় লাভা আর ছাইভষ্মের নিচে বিলিন হয়ে যায়।

 শহরের সমস্ত মানুষ, প্রানী উদ্ভিদরাজীর তাৎক্ষনিক জীবন্ত কবর হয়। কিছু এ্যামেচার আর্কিওলজিষ্ট খৃষ্টাব্দ ১৭৪৯ সালে সর্বপ্রথম আবিস্কার করেন ধ্বংস হয়ে যাওয়া পম্পেই। ইতোমধ্যে প্রায় দুই হাজার বছর সময়ে শহরটি কয়েক হাজার ফুট মাটির নিচে বিলিন হয়ে গেছে। শুধু তাই নয় আশ্চার্য্যের বিষয় হচ্ছে এখনও সেই মাটি আর ছাইভষ্মের নিচ থেকে প্রাণী সহ মানুষের মৃতদেহ অবিকল ফ্রোজেন অবস্থায় সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।


0 Comments:

Post a Comment