পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Sunday, May 5, 2019

স্পেন (জানার আছে অনেক কিছু)




লক্ষ হাজার শত বর্গকিলোমিটার (১৯৪,৮৯৭ বর্গমাইল) আয়তনবিশিষ্ট স্পেন আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ৫১তম দেশ| আয়তনের বিচারে রাশিয়া, ইউক্রেন ফ্রান্সের পরে স্পেন ইউরোপের ৪র্থ বৃহত্তম এবং দক্ষিণ ইউরোপের বৃহত্তম দেশ। মাদ্রিদ স্পেনের বৃহত্তম শহর রাজধানী।



স্পেনের উত্তর সীমানাতে আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বাহু বিস্কায়া উপসাগর অবস্থিত।স্পেন পশ্চিম দিকে পর্তুগাল এবং উত্তর-পূর্ব দিকে ফ্রান্স অ্যান্ডোরার সঙ্গে সংলগ্ন। স্পেনের সমুদ্র সীমা প্রায় হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ। দেশের সর্বোচ্চ পর্বত তেইদে পর্বতের উচ্চতা ,৭১৮ মিটার।


এই দেশের পতাকার লাল এবং হলুদ রংয়ের সরলরেখা এবং বাম পাশে থাকা সিংহাসন আকৃতির বাক্সটি সাবেক স্পেইনের চারটি রাজত্বের স্মরণে দেওয়া হয়েছে।রাজত্বগুলোর নাম ক্যাস্টাইল, লিওন, নাভারে এবং আরাগন। লাল এবং হলুদ রংগুলোও সাবেক স্প্যানিশ রাজত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত।


স্পেন এর প্রথম দিকের আধিবাসীরা মূলত কেল্ট আইবেরিয়রা। এক দীর্ঘমেয়াদী প্রবল যুদ্ধের পর আইবেরিয় উপদ্বীপ রোমান রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পরিচিত হয় হিসপিনিয়া নামে। মধ্যযুগের প্রথমদিকে এটি জার্মান শাসনাধীনে গেলেও পরবর্তীকালে মুসলিমগণ দেশটি জয় করেন।

শুরু হয় মুসলিম শাসন । মুসলিম শাষন অবসানের জন্য উত্তরের খ্রিস্টান রাজ্যসমূহের এক এলোমেলো এবং অত্যন্ত দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। অবশেষে সফল হয় খ্রিস্টানরা। ১৪৯২ সালে, কলম্বাস যখন অজানা দ্বীপ আমেরিকায় পৌঁছেন, তখন মুসলিম শাসনের শেষ চিন্হটুকু নিশ্চিন্হ হয়ে যায়   স্পেনের শহর  গ্রানাডা থেকে।

স্পেনের প্রাণকেন্দ্রে সমুদ্র সমতল থেকে অর্ধমাইল উচ্চতায় অবস্থিত মেসেতা (Meseta) নামক একটি প্রশস্ত কেন্দ্রীয় মালভূমি দেশটির বেশিরভাগ আয়তন জুড়ে অবস্থিত। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকাতেই গবাদি পশুপালন শস্য উৎপাদনের ঐতিহ্য রয়েছে।

দেশটির সঙ্গে অন্যান্য দেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই দেশের পাসপোর্টে ১২৩টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা যায়, যা পাসপোর্ট শক্তি সূচকে ৩য় স্থানে রয়েছে।

    
স্পেনে ইসলাম প্রবেশ:

শাসক গোষ্ঠীর অত্যাচারে ভূমিদাস, ক্রীতদাস, বর্গাদার ইহুদিদের মধ্যে করুণ অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় রাজনৈতিক অবস্থা এক শোচনীয় পর্যায় উপনীত হয়। এরূপ নাজুক ভয়াবহ অবস্থায় উমাইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ খলিফা

আল ওয়ালিদের শাসনামলে স্পেনের বিরুদ্ধে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদ মুসা বিন নুসাইর। মুসলমানদের অভিযানের আগমনের পূর্বে স্পেনে কেন্দ্রীয় শাসন ছিল খুবই দুর্বল। রাজ পরিবারগুলোর মধ্যে গোত্রীয় কলহ, যা সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক অবস্থাকে দুর্বিষহ করে তোলে। মুসলিম বিজয়ের পূর্বে গথিক রাজা রডারিক পূর্ববর্তী রাজা উইটিজারকে হত্যা করে সিংহাসন দখল করে, ফলে উইটিজার ভ্রাতা, পুত্র, জামাতা সবাই বিরোধী হয়ে ওঠে।

অপরদিকে কাউন্ট জুলিয়ানের কন্যা ফোরিন্ডা রাজা রডারিক কর্তৃক শ্লীলতাহানির শিকার হন, যার ফলে কাউন্ট জুলিয়ান রাজা রডারিকের প্রতিশোধ গ্রহণকল্পে উত্তর আফ্রিকার মুসলিম গভর্নর মুসা বিন নুসাইরকে স্পেন আক্রমণের আহ্বান জানায়।

খ্রিস্টান এবং মুসলিম উভয় সূত্রমতেই মুসা বিন নুসায়ের শুধুমাত্র আফ্রিকা জয় করেই সন্তুষ্ট ছিলেন, কিন্তু স্পেন থেকে আসা এক অভিজাত খ্রিস্টান তাকে উদ্বুদ্ধ করে হিস্প্যানিয়া জয় করার জন্য। এই ব্যক্তি ছিলেন সেউটার কাউন্ট হুলিয়ান, ভিজিগথ রাজা প্রথম রডারিকের একজন সামন্ত রাজা। হুলিয়ান মুসা বিন নুসায়েরকে হিস্প্যানিয়ায় থাকা সম্পদের পাহাড়ের বিবরণ দিলেন, সাথে বললেন রডারিকের কারণে তাদের রাজ্যে চলা অরাজকতার গল্প। কিংবদন্তী অনুযায়ী, হুলিয়ান চেয়েছিলেন ভিজিগথদের পতন দেখতে, কারণ রডারিক তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছিলেন।

তারিক বিন জিয়াদ তার বাহিনী নিয়ে জিব্রাল্টারে পা রাখলেন এই পুঁচকে বাহিনীর মুখোমুখি হতে রডারিক জড়ো করেছিলেন প্রায় এক লক্ষ সৈন্য। এমন সময় তারিক আদেশ দিলেন পিছনে থাকা নিজেদের জাহাজ পুড়িয়ে দিতে। জিব্রাল্টারের নামকরণ করা হয়েছে তারিক এর নামানুসারেই।জাবাল-আত-তারিকঅর্থাৎ তারিকের পাহাড় থেকেই উৎপত্তি জিব্রাল্টারের নাম। আর ঠিক এখানেই তারিক বিন জিয়াদ সৈন্যদের উদ্দেশ্যে তার ইতিহাস বিখ্যাত ভাষণ দিলেন।



হে আমার সৈন্যরা, কোথায় পালাবে তোমরা? তোমাদের পিছনে সাগর, সামনে শত্রু। তোমাদের সামনে রয়েছে অগণিত শত্রু, আর জীবন বাঁচানোর জন্য তোমাদের কাছে রয়েছে শুধু তলোয়ার।... এবং মনে রেখো এই অসাধারণ যুদ্ধে আমিই সবার সামনে থাকবো যা তোমরা করতে যাচ্ছ...”


তারিকের ভাষণ শুনে উজ্জীবিত সৈন্যরা ঝাঁপিয়ে পড়লো রডারিকের বিশাল বাহিনীর উপর। রডারিকের বাহিনী তখন দ্বিধাবিভক্ত, নিজেদের সুরক্ষিত শহর ছেড়ে এই প্রান্তরে যুদ্ধ করতে এসে যারপরনাই বিরক্ত সামন্ত রাজারা। তাছাড়া এই বিশাল বাহিনী রডারিকের অনুগতও নয়। এই সুযোগটাই কাজে লাগালো মুসলিমরা। তারিকের হাজার সৈন্যের সাথে যোগ হওয়া মুসা বিন নুসায়েরের পাঠানো আরো হাজার সৈন্যের অসাধারণ রণকৌশলে মুহূর্তের মধ্যেই ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলো ভিজিগথ বাহিনী। গুয়াদেলেতের যুদ্ধে নিহত হলো রডারিক, হিস্প্যানিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হলো মুসলিম শাসন।


১৪৯৯ খ্রিস্টাব্দে স্পেনীয় ক্যাথলিক গীর্জা কার্ডিনাল ফ্রান্সিসকো জিমিনিজ দ্যা সিসেরনসকে দক্ষিণ স্পেনে পাঠায় ধর্মান্তর প্রক্রিয়ায় গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে। কোনো মুসলমান যতক্ষণ পর্যন্ত খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতো না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে হয়রানি করাই ছিল এই কার্ডিনালের কাজ। আরবিতে লেখা অসংখ্য বই তার নির্দেশে পুড়িয়ে ফেলা হয়। কোনো মুসলিম খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে সঙ্গে সঙ্গে তাকে জেলে পাঠানো হত। জেলখানায় তার ওপর চালানো হত চরম নির্যাতন এবং তার সমুদয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হত।


 অন্যদিকে গ্রানাডার বাহিরে গ্রামাঞ্চলে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পরে। বিদ্রোহীরা দক্ষিণ স্পেনের আলপুজারাসের পাহাড়ী অঞ্চলে আশ্রয় গ্রহণ করে। বিদ্রোহীরা কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই শুধু তাদের বিশ্বাসকে সম্বল করেই খ্রিস্টীয় শাসনের প্রতিরোধ উৎখাতের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল।
খ্রিস্টান সৈন্যদের মত মুসলিম বিদ্রোহীরা অস্ত্র প্রশিক্ষণে সমৃদ্ধ ছিল না। ফলে সকল হামলা প্রতিরোধে তারা প্রায়ই কুলিয়ে উঠতে পারতেন না। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া গণহত্যার ঘটনা হয়ে গিয়েছিল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।


এপ্রিল ফুলের ব্যপারে দুই টি ইতিহাস সব চেয়ে বেশি শোন যাই তা হলো:

প্রথম ইতিহাস :-

আজ থেকে প্রায় পাঁচ শত বাইশ বছর আগে স্পেন ছিল মুসলিমদের
দেশ।এই দেশটি মুসলিমদের নিয়ন্ত্রনে ছিল প্রায় আট শত বছর। ক্রুসেডরা দীর্ঘ দিন ধরে স্পেনকে নিজেদের দখলের নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই জন্যে তারা ধর্ম যুদ্ধের নামে বিভিন্ন সময় স্পেনে আক্রমন করত।

কিন্তু স্পেনের মুসলিমদেরসাথে যুদ্ধ করে তারা বরাবরই পরাজিত হত।মুসলিমরা এই দেশটাকে এতটাই আধুনিক ভাবে সাজিয় ছিল যা ছিল সত্যিই অসাধারন।আজও স্পেনের সেই শহরগুলো এক একটি অপূর্ব ঐতিহাসিক নিদর্শন। যা মানুষকে এখনও মুগ্ধ করে।মুসলিমরা ভালই ছিল স্পেনে। কিন্তু একটা পর্যায়ে মুসলিমরা ইসলাম থেকে দুরে সরে যেতে লাগল।তাদের ইসলাম প্রচার প্রসার ইসলাম পালনের প্রতি অনিহা বাড়তে লাগল এবং তারা দুনিয়া মুখি হয়ে গেল।

এবং এক পর্যায়ে মুসলিমদের ঈমানেরঅবস্থা খুবই শোচনীয় হয়ে পড়ল। ঠিক এমন এক সময় খ্রিষ্টানরা মুসলিমদের উপরআবারও আক্রমন করল।যদিও কিছুমুসলিম বীর তাদের সাথীরা চরম ভাবে আক্রমনকে প্রতিহত করল এবং ক্রুসেড বাহিনীকে প্রায়পরাজিত করে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না। এক্ষেত্রে
খ্রিষ্টানরা(ক্রুসেড) মিথ্যা কৌশল অবলম্বন করল। তারা প্রচার করতে লাগল যে স্পেইন এখন তাদের দখলে।এবং তারা ঘোষনা দিয়ে দিল।যে সকল মুসলিমরা মসজিদে আশ্রয় নিবে এবং সমুদ্রগামী জাহাজে আশ্রয় নিবে তারা নিরাপদে থাকবে। দুর্বল ঈমানের মুসলিমরা শত্রুদের কথা মতো কাজ করল। তারা মসজিদ জাহাজে আশ্রয় নিল।

পরে রাণী ইসাবেলার নির্দেশে ক্রসেড বাহিনী সকল মসজিদকে তালা বদ্ধকরল, এই বলে যে যাতেমুসলিমরা নিরাপদে থাকে।পরে তারা সকল মসজিদ গুলোতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে মুসলিমদেরপুড়িয়ে হত্যা করল। আর জাহাজগুলোকে তারা ডুবিয়ে দিল।এভাবে স্পেন থেকে মুসলিমদের পরাজিতকরল।রাণী ইসাবেলাই প্রথম হাসতে হাসতে বলেছিল হাইরে মুসলিম এত বোকা। এবং সেখানে এমন একজন মুসলিমও ছিল না যে কিনা আজান দিবে। বিগত ৫২২ বছর স্পেনে কোন আজান হয়নি। ১৯১২ ইং সালে আজানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এভাবে এপ্রিল মাসে মুসলিমদের বোকা বানিয়ে পরাজিত করেছিল। মুসলিমদের এই পরাজয়কে স্মরণ করে খ্রিষ্টানরা এপ্রিল ফুল পালনকরে থাকে। আর আমরা মুসলিমরা এখনও বোকার মত এপ্রিল ফুল পালন করে নিজেদেরকে আরো বোকা হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকি। আসুন এটাকে আমরা পরিহার করি।

দ্বিতীয় ইতিহাস :-

ঈসা আঃ যখন নবী হয়ে দ্বীনের দাওয়াত প্রচার করতে লাগলেন তখন খ্রীষ্টানরা তিনা কে নবী বলে মানল না তাঁরপর তিনা কে হত্যা করার জন্য পাইতারা করলে তিনি অনেক দূরে গিয়ে আশ্রয় নেন। তারপর তাঁর এক শিষ্য কিছু টাকার লোভে তিনার আশ্রয় স্থান বলে দেয়। যার কারণে খ্রীষ্টানরা ঈসা আঃ কে হত্যা করতে যায়। ঘটনাক্রমে খ্রীষ্টানদের এক লোক মারা যায়। তারা মনে করে যে ঈসা কে আমরা হত্যা করেছি। কিন্তু আল্লাহ তিনাকে আঁকাশে উঠায়া নেন।আর খ্রীষ্টানরা ঈসা আঃ এর সঙ্গিদের কে হত্যা করে।সেই দিন কে বলা হয় এপ্রিল ফুল।

জীববৈচিত্র :


মিরক্যাট হল বেজি জাতীয় স্তন্যপায়ী প্রানী। সাধারনত আফ্রিকা মহাদেশের বোস্তোয়ানার কালাহারি মরুভূমি, নামিবিয়ার নামিবিয়া মরুভূমি, দক্ষিণ এঙ্গোলা এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এদের দেখতে পাওয়া যায়। মিরক্যাটরা সচরাচর দলবদ্ধ হয়ে থাকতে পছন্দ করে। এদের একটি দলে প্রায় ২০ থেকে ৫০ টি মিরক্যাট থাকতে পারে। কৃত্তিম পরিবেশে এরা প্রায় ১২-১৪ বছর বাঁচলেও বন্য পরিবেশে এর অর্ধেক বাঁচে।

বন্য পরিবেশে মিরক্যাটরা গর্তে বসবাস করে। দেখতে খুব শান্ত ওরা। শরীর ভর্তি ঘন লোম। ধূসর রোমের ওপর হালকা বাদামি ডোরা। মুখটি বেজির মতোই ছুঁচালো। চোখ দুটিতে কালো ছোপ রয়েছে। লেজসহ ওদের গড় দৈর্ঘ্য ২০ ইঞ্চির (৫০ সেন্টিমিটার) মতো।

মাটির নিচে থাকার জন্য পায়ের ধারালো নখর দিয়ে গর্ত খোঁড়ে মিরক্যাট। মরু এলাকার প্রখর তাপ থেকে রক্ষা পেতে এই ডেরা তুলনাহীন। একেকটি গর্ত ১৬ ফুট ( মিটার) পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। গর্ত না বলে বরং এগুলোকে খুদে সুড়ঙ্গ বলাই ভালো। একেকটি মিরক্যাট দল সাধারণত রকম পাঁচটি সুড়ঙ্গ তৈরি করে থাকে। একটি সুড়ঙ্গ থেকে আরেকটি সুড়ঙ্গে যেতে বেশ কয়েকটি প্রবেশমুখ থাকে।

সুড়ঙ্গগুলো আবার ছোট ছোট কামরায় ভাগ করা। এসব কামরার কোনোটিতে মিরক্যাটের ছানা, কোনোটিতে খাবার, আবার কোনোটিতে বড়রা থাকে।মিরক্যাটরা শুধু দিনের বেলায়ই ডেরা থেকে বের হয়। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে দলবেঁধে বেরিয়ে খাবার খোঁজে ওরা। সাধারণত পাঁচ থেকে আট ঘণ্টা বাইরে থাকে ওরা।


0 Comments:

Post a Comment