পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Thursday, May 16, 2019

ক্ষমা করার আনন্দ (সুন্দর একটি গল্প)


অনেক আগের কথা র্পূব বাংলার কোন এক গ্রামে সুমন নামের একটা ছেলে তার মায়ের সাথে থাকত। সুমন একটু মোটা শরীরের ছেলে তার এই শরীরের জন্য তাকে অনেক জায়গাতে  অপমানিতও হতে হয়। স্কুলে বন্ধুরা মটকু বলে। যন্ত্রণার শেষ নেই খেলতে দৌড়াতে পারে না বলে খেলতেও নেয় না। কিন্তু সুমনের এই নিয়ে কোন দুঃখই নেই সে সব সময় হাসি খুশি থাকে। বরং বন্ধুরা যখন তাকে নিয়ে মজা করে সেও তাদের সাথে সাথে নিজেকে নিয়ে মজা করতে শুরু করে দেয়। সে নিজেকে বন্ধুদের মাঝে ছোট করে আনন্দ পাই।



একদিন একজন শিক্ষক সুমনের কাছে জানতে চাইল যে এগুলোর জন্য সে কিছু মনে করে কিনা। সবাইকে আর্শ্চয করে দেবার মতো উত্তর দিলো সুমন। সবাই তার কথা মুগ্ধ হয়ে শুনতে লাগল আর তার পর থেকে বন্ধুরাও কখনো তাকে খেপাই না। সুমন উত্তর দিল , “আমি কিছু মনে করি না স্যার আমি সবাইকে ক্ষমা করে দিই। আর এই ক্ষমা করার গুণটিই আমাকে আনন্দ দেয়। আমি রাগ করি না। কারণ কেন শুধু শুধু রাগ করে জীবনের এই সময়ের আনন্দটা হাত ছাড়া করব।আমি সব সময়ই অন্যকে খুশি করার মধ্যে নিজের খুশিকে খুজতে চেষ্টা করি।



আমাদের এই জীবনেরও আমারা এমন অনেক পরিস্থিতিতে পড়ি। অন্যকে ক্ষমা করার আনন্দটাকে উপলব্ধি না করে নিজের মধ্যে রাগ, প্রতিশোধ, হিংসা- বিদ্বেষের জন্ম  দিই। যা তিলে তিলে আমাদের জীবন থেকে আমাদের সুখ, শান্তি, ভালবাসাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে।


 তাই আজ  থেকে সিদ্ধান্ত নিই যদি আমার সাথে কেউ অন্যায় করে ক্ষমা চাওয়াটা তার কাজ ছিল সেটা সে করুক বা না করুক ক্ষমা করাটা আমার কাজ আমার দায়িত্ব আর আমি তা অবশ্যই করব। আর ঠোটের কোণায় হাসির রেখাটা সব সময় অন্যের জন্য বরাদ্ধ করে রাখব।
                                                                (ভুল ত্রুটি র্মাজনীয়)

0 Comments:

Post a Comment