পারব না কে, না বলো। নিজেকে খুজে বের করো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি দের একজন-- জেফ বেজোস ভয়কে করতে হবে জয় হার না মানার গল্প  গুগল ও ফেজবুকের প্রতিষ্ঠাতা সবচেয়ে বেস্ট মটিভেশনাল স্পিকার-  সন্দীপ মহেশ্বরী

Thursday, September 19, 2019

উইলিয়াম শেক্সপিয়ার (অজানা কিছু মজার তথ্য)

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার যার সৃষ্টি সম্বন্ধে এত বেশি  আলোচনা হয়েছে, তার অর্ধেকও অন্যদের নিয়ে হয়েছে কিনা সন্দেহ।মনিষীদের জীবনের গল্প আজ নিয়ে এসেছে উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের জিবনের খুটিনাটি সকল কিছু।



ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের অন্তর্গত এভন নদীর তীরে স্ট্রীটফোর্ড শহরি এক দরিদ্র পরিবারে শেক্সপীয়ার  জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় চার্চের তথ্য থেকে যা জানা  যা্য় তাতে অনুমান তিনি সম্ভবত ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।



তার পিতা জন শেকসপীয়রের মা ছিলেন   আর্ডেন পরিবারের সন্তন  শেকসপীয়র তার As you like it নাটকে মায়ের নামকে অমর করে রেখেছেন।

শেক্সপিয়ার এর ছেলেবেলা এবং পড়াশুনা নিয়ে খুব কমই জানা গেছে। এটা বলা হয়ে থাকে যে, তিনি স্টার্টফোর্ড এর কিংস নিউ স্কুল ভর্তি হয়েছিলেন যেখানে তিনি পড়তে এবং লিখতে শিখেন। যেহেতু সকল গ্রামার স্কুল গুলো একই রীতি নীতি অনুসরণ করতো, এটা বিশ্বাস করা হয়ে থাকে যে, তিনি ল্যাটিন ক্লাসিকাল লেখকদের উপর গ্রামারের উপর ভিত্তি করে বিষদ পড়াশুনা  করেছিলেন।

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিবাহ ও পরিবার:

আঠার বছর বয়সে শেকসপীয়র বিবাহ করলেন তার চেয়ে আট বছরের বড় এ্যানি হাতওয়েকে। বিয়ের  পর এ্যানি এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় তার নাম রাখা হয় সুসানা। এর দুবছর পর দুটি যমজ সন্তানের জন্ম হয়। ছেলে হ্যামলেট মাত্র বছর বেচে ছিল।
এই দম্পত্তি ৩টি সন্তান দ্বরা আশীর্বাদিত হয়েছিল, বিয়ের মাস পরে সুসানা নামের একটি কন্যা সন্তান এবং তার বছর পর যময বাচ্চা , ১টি ছেলে হ্যামনেট ১টি মেয়ে জুরিথ জন্ম হয়।

শোন যায় সংস্যার নির্বাহের জন্য তাকে নানান কাজকর্ম করতে হত।। একবার ক্ষুধার জ্বালায় স্যার টমাসের এক হরিণকে হত্যা করেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা এড়াতে তিনি পালিয়ে আসেন লন্ডনে। কিন্তু এই কাহীনি কতদূর সত্য সে বিষয়েং সন্দেহের অবকাশ রয়ে যায়। তবে যে কারণেই হোক তিনি স্ট্রাটফোর্ড ত্যাগ করে লন্ডন শহরে আসেন।

শেক্সপিয়ারের বাবা প্রচুর ধার-দেনা করতেন, ফলে একবার দেউলিয়া হয়ে জেলও খেটেছিলেন। হ্যামলেট নাটকে পোলোনিয়াস পুত্র লেয়ারটিসকে উপদেশ দিচ্ছেন: ঋণদাতা বা ঋণগ্রহীতা কোনোটাই হয়ো না (“নাইদার বরোয়ার নর লেন্ডার বি”)

ইংল্যান্ড শেক্সপিয়ারের সময় রানি এলিজাবেথের অধীনে প্রটেস্টান্ট খ্রিস্টান রাজ্য বনে গেলেও অনেকে ছিল তখনো ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাসী। শেক্সপিয়ারের বাবা গোপনে ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাস করতেন, এবং শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট-সহ বহু নাটকে পিতৃচরিত্রে তাঁর বাবার ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাসের ছায়া খুঁজে পাওয়া যায়। বাবার বৃদ্ধ বয়সে শেক্সপিয়ার তাঁর বহু আকাঙ্খিত পারিবারিক উপাধি (কোট অব আর্মস) এনে দিয়ে তাঁকে সন্তুষ্টি দিয়েছিলেন।


 সম্পূর্ণ অপরিচিত শহরে কাজের সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে পেশাদারী রঙ্গমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। নাট্যজগতের সাথে এই প্রত্যক্ষ পরিচেই তার অন্তরের সুপ্ত প্রতিভার বীজকে ধীরে ধীরে অঙ্কুরিত করে তোলে।  নাট্য সম্পাদনা কাজ করতে করতেই শেকসপীয়ার অনুভব করলেন দর্শকের মনোরঞ্জনের উপযোগী ভালো নাটকের বড়ই অভাব। এই অনুমাণ থেকেই তার নাটক রচানার সূত্রপাত ১৫৯১- ১৫৯২ সালে। এই সময় তিনি রচনা করেন তার   ঐতিহাসিক নাটক হেনরি VI- এর তিন খন্ড। এর পরের বছর লেখা নাটক Richard III 

১৫৯২ সালে  ইংল্যান্ডে ভয়াবহ প্লেগ রোগ দেখা দিয়েছিল। তখন প্লেগের অর্থ নিশ্চিত মৃত্যু।  ১৫৯৪ সালে তিনি লর্ড চেম্বারলিনের নাট্যগোষ্ঠিতে যোগ দিলেন।  এই সময় তিনি সৃষ্টি করতে থাকেন একের পর এক অবিস্মরণীয়-- টেমিং অব দি সু, রোমিও জুলিয়েট, হেনরি ফোর আরো অনেক।  তার শেষ নাটক রচনা করেন ১৬১৩ সালে হেনরি এইট।


১৬১৬ সালের ২৩ শে এপ্রিল (দিনটি ছিল তার বাহান্নতম জন্মদিন) তার মৃত্যু হলো। আগেরদিন একটি নিমন্ত্রিত বাড়িতে গিয়ে প্রচুর মদ্য পাান করেন। শীতের রাতে পথেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সুস্থ হয়ে ওঠেনি শেক্সপিয়ার।

0 Comments:

Post a Comment